যেভাবে এলাম হার্ড রকের রাস্তায়

0
37
নিকি সিক্স
নিকি সিক্স। মূল পোর্ট্রেট: প্লানেট রক ম্যাগাজিন

লিখেছেন: নিকি সিক্স
অনুবাদ: রুদ্র আরিফ

যুক্তরাষ্ট্রের ইডাহো অঙ্গরাজ্যের জেরোমি হয়তো খুবই ছোট শহর, তবে এর শহরতলিতে ছিল একটি জেসি পেনি [ডিপার্টমেন্টাল স্টোর], একটি ওয়েস্টার্ন অটো [অটো সাপ্লাই কোম্পানি], একটি ডেইরি কুইন [ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্ট] এবং বেশ কয়েকটি ওষুধের দোকান। আমার বন্ধু অ্যালেনের গ্র্যান্ডমাদার কাজ করতেন ম্যাকক্লিয়ারি’সে; গোলাকার টুল এবং অর্ধ চন্দ্রাকার কাউন্টারওয়ালা সেই দোকানে ছিল সত্যিকার অর্থেই সেকেলে এক সোডা ফাউন্টেইন। স্টোরের ওপরতলায় বসবাস করতেন তিনি, কুক হিসেবে কাজ করতেন পেছনের ঘরে, খাবার বানাতেন; আমি আর অ্যালেন সেখানে গিয়ে আড্ডা দিতাম আর মিল্কশেক গিলতাম।

১৯৫০-এর দশকজুড়ে ম্যাকক্লিয়ারি’স ছিল ছোট শহরের এক ওষুধের দোকান। কারও যা কিছু দরকার, প্রায় সবকিছুই সেখানে জড়ো থাকত: জামা-কাপড়, টুল, ম্যাগাজিন এবং চটুল উপন্যাস। এমনকে সেখানে রেকর্ডসও বিক্রি হতো। সেখান থেকেই পিংক ফ্লয়েড-এর ডার্ক সাইড অব দ্য মুন কিনেছিলাম আমি। মানি গানটা আমি আর অ্যালেন বারবার শুনতাম; এমনকি বাড়ির বাইরে গেলে সঙ্গে করে ব্যাটারিচালিত একটা টেপ রেকর্ডার নিয়ে যেতাম। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ওই ট্র্যাকের বেস-লাইনটা অনুভব করতে পেরেছিলাম আমি।

একই সময়ে প্রথমবারের মতো ডিপ পার্পলও শুনলাম: নোনার রেডিওতে একদিন শুনতে পেলাম এই ব্যান্ডের স্মোক অন দ্য ওয়াটার এবং শিকাগো ব্যান্ডের স্যাটারডে ইন দ্য পার্ক। এ ঘটনার কয়েক মাস পর, যখন নিজের রুমে কিছু একটা করছিলাম, নোনা আমাকে ডাকতে শুরু করল, ‘আরে ফ্রাঙ্কি, দেখো পিটার কুপার নামের লোকটাকে দেখতে তোমার মতো লাগছে। টিভিতে দেখাচ্ছে।’

সে কী বোঝাচ্ছিল, আমি জানতাম। আমার কাছে অ্যালিস কুপারের কোনো অ্যালবাম ছিল না; তবে অ্যালিস কুপারের প্রতি বেশ আগ্রহী ছিলাম; তাই দৌড়ে বেরিয়ে এসে, হলরুম দিয়ে একছুটে চলে গেলাম সেই রুমে– যেখানে আমাদের বাসার টিভি সেট রাখা।

নিকি সিক্স
নিকি সিক্স

ছোট্ট একটা টিভি ছিল আমাদের, ফলে ঘরের যেকোনো জায়গায়ই রেখে দেওয়া যেত। গিয়ে দেখি, দ্য মার্ভ গ্রিফিন শো চলছে; জীবনের প্রথম কিস ব্যান্ডের জেন সিমন্সকে দেখতে পেলাম।

শুধু অ্যালিস কুপার নন, সিমন্সের প্রতিও আমার কৌতুহল ছিল। জমকালো পোশাক, রাজকীয় সজ্জা, মুখভর্তি মেকআপ, বড় বড় বুট পায়ে, কাঁধ থেকে নেমে আসা ডেভিল হর্ন– তাকে এক দেখায় হতভম্ব হয়ে গেলাম।

মার্ভ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনি কি বাদুড়?’

‘হ্যাঁ,’ খেঁক করে উঠে বললেন সিমন্স, ‘আমি আসলে শয়তানের অবতার।’ মার্ভের দর্শকদের দিকে রাগি চোখে তাকালেন তিনি।


তারপর
সাপের মতো
দীর্ঘ জিহ্বা বের
করে, হিসস… হিসস…
শব্দ করতে
লাগলেন

আর বললেন, ‘আর এইসব (দর্শকের) গাল ও ঘাড়গুলোর কয়েকটা বেশ দারুণ দেখছি!’ তারপর সাপের মতো দীর্ঘ জিহ্বা বের করে, হিসস… হিসস… শব্দ করতে লাগলেন।

ব্যাপারটা খুবই হাস্যকর লাগছিল। সিমন্সের পাশে বসে থাকা টটি ফিল্ডস নামে একজন বয়স্ক কমেডিয়ান এমনভাবে চোখ ঘোরালেন, যেন বিরক্ত তিনি!

টটি জানতে চাইলেন, ‘আপনার মা আপনাকে দেখবেন না টিভিতে? তার ছেলেটা স্রেফ দারুণ এক ইহুদি বালক– ব্যাপারটা তার কাছে হাস্যকর লাগবে না?’

চাইলে এখন যে কেউ ইউটিউবে সেই অনুষ্ঠান দেখতে পাবেন; ব্যাপারটা এখন যেমন হাস্যকর লাগবে, তখনো তেমনই লেগেছিল নিঃসন্দেহে। তবে এরপর পুরো ব্যান্ড এসে হাজির হলো। তারা পারফর্ম করল ফায়ারহাউস গানটি। ফায়ারহাউস যদিও ফ্রি ব্যান্ডের অল রাইট নাউ-এর পুনর্লিখন, তবু গান হিসেবে দারুণ। ওই কর্ড প্রগ্রেসন নিয়ে তর্ক তোলার কোনো অবকাশ নেই।

মেনে নেওয়ার মতো অনেকগুলো ব্যাপারই ছিল। কিসকে দেখতে আমার ভালো লাগেনি। তাদের অপছন্দ করিনি। তবে তাদের প্রতি কোনোদিনও সেই মাত্রায় অনুরক্ত হইনি, যেমনটা হয়েছিল আমার অন্য বন্ধুরা। আমার বয়সী অন্য বালকদের কাছে কিস হয়ে উঠেছিল ১৯৭০-এর দশকে পাওয়ার রেঞ্জারস-এর সমতুল্য। তারা কিস লাঞ্চ বক্স ব্যবহার করত, এমনকি কিস ট্যাটুও গায়ে আঁকত।

কিস-এর অন্য কিছুর চেয়ে বরং গান রচনা প্রক্রিয়ার দিকেই আমার মনোযোগ ছিল বেশি; আর তা ছিল মজার: একবার কিস-এর সঙ্গে সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলাম আমরা; আমি আমাদের টেন সেকেন্ডস টু লাভ গানটি বাজাচ্ছিলাম। ভীষণ মজে গিয়েছিলাম। দর্শকরা বুনো হয়ে উঠেছিল। আচমকাই আমার খেয়াল হলো: ‘আরে, এই গানের রিপে তো আমি (কিস-এর) কলিং ডক্টর লাভ বাজাচ্ছি!’

মটলি ক্রু
মটলি ক্রু। ১৯৮৩। বাঁ থেকে– নিকি সিক্স, ভিঞ্চ নেইল [লিড ভোকাল], মাইক মার্স [লিড গিটার] এবং টমি লি [ড্রামস]

দুটি গানের কর্ড প্রগ্রেসন একই। আমরা ছিলাম তখন একই টুরে; অথচ আমার ওপর কিস-এর এত গভীর প্রভাব পড়েছে, আগে খেয়াল করিনি! তবে কিস যেমন অজান্তেই ফ্রির গান নিজেদের করে নিয়েছে, আমার বেলায়ও কিস-এর সঙ্গে ঘটেছে তেমনটাই।

কিস আর অ্যালিস কুপার জুটি বাঁধার আগে, মিউজিক দিনে দিনে কোমল থেকে কোমলতর হয়ে উঠছিল। জিম ক্রোস, জেমস টেইলর ও ব্রেড ব্যান্ডের ছিল প্রভাব। তাদের গানের কথা আর মেলোডি আমার পছন্দের ছিল। তবে আমাকে বেশি টানত হার্ড ট্র্যাকগুলো। বাড়িতে সেগুলো ভীষণ আওয়াজ তুলে বাজাতাম। আমাদের বাড়িতে একটি ডাবল-ওয়াইড ট্রেইলার ছিল বলে সেই আওয়াজ তীব্র হয়ে ঝামেলা পাকাতে শুরু করল!

টম’কে দুটি ট্রেইলার একত্রে জুড়ে দিতে দেখা ছিল দারুণ ব্যাপার। ড্রাইভওয়ে গড়ে তোলার ব্যাপারে নিরেট পদক্ষেপ নিয়েছিল সে। বাড়ির পেছনের আঙিনায় বেড়া দিয়ে ছোট্ট একটা ওয়ার্ক শেড গড়ে নিয়েছিল।

বার্নাবাইর জন্য একটি ডগহাউস ছিল আমার। নোনার একটা বাগান ছিল; সেখানে সে নিজের পছন্দের ফল ও সবজি চাষ করত। দারুণ এক জায়গা ছিল সেটি– ট্রেইলারগুলো ছিল সাদা। সেগুলো যেন আমাদের সেই আঙিনার মতোই পরিপাটি থাকে, সেটা নিশ্চিত করত নোনা। তবে জায়গাটি খুব একটা বড় ছিল না। সেখানে আমাদের একটা কিচেন, একটা ফ্রন্ট রুম, ছোট্ট একটা লন্ড্রি রুম এবং পেছন দিকে দুটি বেডরুম ছিল; রুমগুলোর মাঝখানের দেয়ালগুলো ছিল সরু, ফলে যখনই জোরে মিউজিক করতাম, টম চিৎকার শুরু করত: ‘ফ্রাঙ্কি, ফালতু জিনিসটার ভলিউম একটু কমাও!’


‘যদি
কখনো
কপালে প্রেমিকা
জোটে, তার সঙ্গে আমি
এখানে দিনাতিপাত
কিছুতেই
করব
না’

তখন উপলব্ধি করলাম, ‘যদি কখনো কপালে প্রেমিকা জোটে, তার সঙ্গে আমি এখানে দিনাতিপাত কিছুতেই করব না।’ অবশ্য যখন সত্যি সত্যি প্রেমিকা হলো, তখন আর ওভাবে ভাবিনি।

তার নাম ছিল সুজি। আমারই মতো তারও চোখে ছিল মেটাল ফ্রেমের চশমা। মিষ্টি হাসিও। তার বাবা তাকে ‘সুল্কি সু’ বলে ক্ষেপাতেন; তবে সে আমার সঙ্গে মোটেও সুল্কি বা গোমড়ামুখী ছিল না; হয়তো খানিকটা বেমানানই ছিল। তবে আমি নিজেই বরং খানিকটা লাজুক ও বেঢপ ছিলাম; কেননা, মনে হয়েছিল, দুনিয়াতে আমরা দুজন শুধু দুজনার জন্যই এসেছি।

খেলার মাঠ পেরিয়ে, মেইন স্ট্রিটের মাথায় থাকা ডেইরি কুইন পর্যন্ত আমরা একসঙ্গে হেঁটে যেতাম। আক্ষরিক অর্থেই যুক্তরাষ্ট্রের মেইন স্ট্রিটে এ ছিল যেন (আমেরিকান পেইন্টার) নরম্যান রকওয়েলের আঁকা কোনো জীবন।

সুজির মা স্কুল বাস চালাতেন। ওর বাবা কাজ করতেন দুধ বোতলজাতকরণের কারখানায়। সুজির সঙ্গে আমি নোনা ও টমের গল্প করতাম; আমার বোন সিলিয়ার গল্পও করতাম– বহুদূরে থাকে বলে তাকে কতটা মিস করি, বলতাম। কখনো কখনো আমরা হাত ধরাধরি করে হাঁটতাম, চুমুও খেতাম হয়তো; আর আচমকাই মনে হতো, সারা দুনিয়ায় যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল! সে এক হতবিহ্বল, বুনো অনুভূতি। অতীতের দিকে তাকিয়ে এখনো মনে হয়, কী দারুণ পূর্ণাঙ্গ জীবন ছিল সেটা!

সুজির বাবা গির্জায় যেতেন না। ‘আমি পর্বতে গিয়ে ঈশ্বরের প্রার্থনা করি,’ বলতেন তিনি। তবে সুজির মা ঠিকই নাজারিন বা খ্রিস্টান-ইহুদি গির্জাটিতে যেতেন। মাঝে মধ্যে আমরাও যেতাম তার সঙ্গে। সেখানে প্রচুর ধর্মগীত হতো; তবে সেইসব ধর্মগীত আমার মনে কোনো প্রভাব ফেলেছিল কি না, জানি না। আমি শুধু সেই লাজুকভাব মনে করতে পারি– নিজের ও সুজির, যখন সে বেঞ্চে আমার পাশে বসে থাকত। প্রকাশ্য জনসমক্ষে ‘প্রেমিকা’র সঙ্গে থাকাটা তখন বেশ বিব্রতবোধ এনে দিত মনে। তবে গর্বও হতো; কেননা, নিজের পছন্দের মেয়েটি আমাকে পছন্দই করে– এমনটা মনে হতো।

জেরোমি ও টুইন ফলস– দুই শহরই ইডালো উপত্যকায়, সেই ম্যাজিক ভ্যালিতে গড়ে উঠেছে। মাসে একবার ম্যাজিক ভ্যালির সবগুলো নাজারিন গির্জা টুইন ফলসে রোলার রিংক করত। সুজি আর আমি একসঙ্গে যেতাম, যদিও ভালোভাবে আমি স্কেট করতে পারতাম না, বেশিরভাগ সময় দেয়াল ধরে রাখতাম।

নিকি সিক্স
নিকি সিক্স

সিনেমা দেখতেও যেতাম আমরা; জেরোমিতে একটা সিনেমা-হল ছিল– মেইন স্ট্রিটের মাথায়, ব্যাংকের পাশে একটা সিঙ্গেল-স্ক্রিন সিনেমা-হল। আমরা হাত ধরে রাখতাম। মাঝে মধ্যে বোলিংও খেলতাম। আর, সারাক্ষণ একটা রেকর্ডই শুনতাম: সিলস অ্যান্ড ক্রফটস-এর ডায়মন্ড গার্ল গানটি। সেটি হয়ে উঠেছিল আমাদের গ্রীষ্মকালীন গান।

১২ বছর পরে, যখন আমরা মটলি ক্রুর তৃতীয় অ্যালবামের রেকর্ডিং করছি, আমি গানটির একটি দুর্দান্ত কাভার করার চেষ্টা চালিয়েছিলাম। থিন লিজিদ্য বয়েজ আর ব্যাক ইন টাউন করার চেষ্টা করেছিলাম আমরা, সে এক দুর্দান্ত গান; কিন্তু ঠিকঠাক কাভার করতে পারিনি। এলটন জনের স্যাটারডে নাইট’স অলরাইটও চেষ্টা করেছিলাম; কিন্তু সেটির সাউন্ড আমাদের জন্য যথাযোগ্য মনে হয়নি।


‘পাগল হয়ে গেছো?
এটা তো মোটেও
কোনো রক
গানের মতো না!’

তারপর আমি বললাম, ‘সিলস অ্যান্ড ক্রফটস-এর ডায়মন্ড গার্ল করা যাক।’ ব্যান্ডের বাকি সবাই বলে উঠল, ‘পাগল হয়ে গেছো? এটা তো মোটেও কোনো রক গানের মতো না!’

আমরা তবু রিহার্সাল করলাম। হ্যাঁ, বাকিরা ঠিকই বলেছিল; এটা মটলি ক্রুর গানের মতো হচ্ছিল না মোটেও। এর বদলে বরং ব্রাউনসভিলে স্টেশন-এর স্মোকিং ইন দ্য বয়েজ রুম কাভার করলাম; আর গানটি সেই ডায়মন্ড গার্ল-এর মতোই মটলি ক্রুর প্রথম টপ-ফোরটি হিট গানে পরিণত হয়েছিল। চার্টগুলোতে তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছিল এটি।

তবে মাঝে মধ্যে অবাক হয়ে ভাবি, আমি গোঁ ধরে থেকে ডায়মন্ড গার্লই কাভার করতাম, কী হতো তাহলে?


নিকি সিক্সের ‘দ্য ফার্স্ট ২১’ বইয়ের প্রচ্ছদ
নিকি সিক্স: বেজিস্ট, যুক্তরাষ্ট্র। ব্যান্ড: মটলি ক্রু [১৯৮১--]; ৫৮ [২০০০]; ব্রাইডস অব ডেস্ট্রাকশন [২০০২--২০০৪]; সিক্স: এ.এম. [২০০৬--২০১৭]
সূত্র: নিকি সিক্সের আত্মজীবনী দ্য ফার্স্ট ২১-এর অংশবিশেষ
Print Friendly, PDF & Email
সম্পাদক : লালগান । ঢাকা, বাংলাদেশ।। মিউজিকের বই [অনুবাদ] : আমার জন লেনন [মূল : সিনথিয়া লেনন] ।। কবিতার বই : ওপেন এয়ার কনসার্টের কবিতা; র‍্যাম্পমডেলের বাথটাবে অন্ধ কচ্ছপ; হাড়ের গ্যারেজ; মেনিকিনের লাল ইতিহাস ।। সিনেমার বই [সম্পাদনা/অনুবাদ] : ফিল্মমেকারের ভাষা [৪ খণ্ড : ইরান, লাতিন, আফ্রিকা, কোরিয়া]; ফ্রাঁসোয়া ত্রুফো : প্রেম ও দেহগ্রস্ত ফিল্মমেকার; তারকোভস্কির ডায়েরি; স্মৃতির তারকোভস্কি; হিচকক-ত্রুফো কথোপকথন; কুরোসাওয়ার আত্মজীবনী; আন্তোনিওনির সিনে-জগত; কিয়ারোস্তামির সিনে-রাস্তা; সিনেঅলা [৩ খণ্ড]; বার্গম্যান/বারিমন; ডেভিড লিঞ্চের নোটবুক; ফেদেরিকো ফেল্লিনি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার ফেদেরিকো ফেল্লিনি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার ক্রিস্তফ কিয়েস্লোফস্কি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার চান্তাল আকেরমান

জবাব দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here