স্ল্যাশের আত্মজীবনী [১]

0
30
স্ল্যাশ

লিখেছেন: স্ল্যাশ
অনুবাদ: রুদ্র আরিফ

স্ল্যাশ। মাস্টার রকস্টার। গান এন’ রোজেস-এর সিগনেচার গিটারিস্ট। তার সেলফ-টাইটেলড দীর্ঘ আত্মজীবনী বাংলা অনুবাদে ধারাবাহিকভাবে ছাপা হবে এখানে। এবার প্রকাশ পেল প্রথম কিস্তি…


আমার জন্ম ১৯৬৫ সালের ২৩ জুলাই; ইংল্যান্ডের স্টোক-অন-ট্রেন্ট শহরে। আমার জন্মের ২০ বছর আগে এ শহরেই জন্ম নেন মোটরহেড-এর (লিড ভোকাল) লেমি কিলমিস্টার। আমার জন্মসালটি ছিল রক অ্যান্ড রোলের বছর; এই ধারার মিউজিক তখন এর সামগ্রিক অংশের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছিল।

এ বছরই অল্প কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ব্যান্ড চিরতরে পাল্টে দিয়েছিল পপ মিউজিক। বিটলস তাদের রাবার সোল অ্যালবামটি প্রকাশ করেছিল এ বছরই। অন্যদিকে, দ্য রোলিং স্টোনস প্রকাশ করেছিল তাদের কাভার করা ব্লুজের বাছাইকৃত কালেকশন– রোলিং স্টোনস নং. ২। এমন একটি সৃজনশীল বিপ্লব তখন চলছিল, যেটির কোনো সমকক্ষ নেই। সেটির একটি উপজাতক হতে পেরে আমি গর্বিত।

আমার মা একজন আফ্রিকান-আমেরিকান; বাবা ইংরেজ ও শ্বেতাঙ্গ। ষাটের দশকে প্যারিসে দেখা হয় তাদের। প্রেমে পড়ে যান। তারই ফসল আমি। তাদের ইন্টাররেসিয়াল ইন্টারকন্টিনেন্টাল বন্ধনের ব্র্যান্ডটি সাধারণ ছিল না; সাধারণ ছিল না তাদের নিরবধি সৃজনশীলতাও। তারা তাদের মতো মানুষ বলেই তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাই। তারা আমার সামনে এত ঋদ্ধ ও রঙিন ও অনুপম পরিবেশ মেলে ধরেছিলেন, একেবারে অল্প বয়সেই সেই অভিজ্ঞতার একটি স্থায়ী ছাপ আমার মনে সেঁটে গেছে।

যখনই মাত্র দাঁড়াতে শিখেছি, তখন থেকেই বাবা-মা আমাকে নিজেদের সমকক্ষের মর্যাদা দিতেন। তারা খেলার ছলে আমাকে শিখিয়েছেন– আমার চেনা একমাত্র ধরনের জীবনে চলার পথে কোনো কিছু সামনে এলে কী করে সেগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হবে।

আমার বা-মায়ের যখন পরিচয় ঘটে, তখন মা ওলার বয়স ১৭ আর বাবা অ্যান্থনির (ওরফে, টনি) ২০ বছর। বাবা ছিলেন জন্মগতভাবেই পেইন্টার। পেইন্টারদের ইতিহাস যেরকম হয়, তিনিও তেমনতর– নিজের দমবন্ধ জন্ম শহর ছেড়ে নিজেকে খুঁজে পেতে পাড়ি জমিয়েছিলেন প্যারিসে। মা ছিলেন ইঁচড়ে পাকা ও চঞ্চল, অল্পবয়সী ও সুন্দরী; দুনিয়া দেখা আর ফ্যাশন জগতের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ার স্বপ্নে লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়েছিলেন তিনি। নিজ নিজ এমন যাত্রাপথে দেখা হয়ে যাওয়ামাত্রই তারা প্রেমে পড়ে যান; তারপর ইংল্যান্ডে এসে বিয়ে করেন। তারপর আমি এলাম দুনিয়ায়; আর তারা একসঙ্গে কাটানোর জন্য জীবন গোছানোর করলেন মনস্থির।

কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে আমার মায়ের ক্যারিয়ার শুরু ১৯৬৬ সালের দিকে; আর এ কাজের সূত্রেই তার ক্লায়েন্টদের মধ্যে ছিলেন ফ্লিপ উইলসন, রিঙ্গো স্টার ও জন লেননের মতো তারকা। পয়েন্টার সিস্টারস [আর-অ্যান্ড-বি গ্রুপ], হেলেন রেড্ডি, লিন্ডা রনস্ট্যাড ও জেমস টেইলরের সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। সিলভেস্টারও তার ক্লায়েন্ট ছিলেন।

শৈশবে, বাবা-মায়ের সঙ্গে স্ল্যাশ

সিলভেস্টার এখন আর আমাদের মাঝে নেই; তবে একসময় তিনি ছিলেন ডিস্কো আর্টিস্ট– ঠিক স্লাই স্টোনের মতো। দারুণ কণ্ঠ ছিল তার। আমার দেখা অতি ভালো মানুষদের একজন ছিলেন তিনি। আমাকে সাদাকালো একটা ইঁদুর উপহার দিয়েছিলেন। ওই ইঁদুরের নাম রেখেছিলাম মিকি।

সেই মিকি ছিল দুনিয়ার বদ। আমি যখন আমার পোষা সাপগুলোকে ইঁদুর খাওয়াতাম, সে মোটেও ভয় পেত না। আমার ছোটভাই একবার আমার শোবার ঘরের জানালা দিয়ে ওকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল। সেবার পড়ে গিয়েও বেঁচে গিয়েছিল সে। সেটা বুঝতে পারলাম তিনদিন পর: দেখি আমাদের বাসার পেছনের দরজায় সে হাজির! একবার দুর্ঘটনাক্রমে, আমাদের সোফা বেডের ইনার চেসিসে আটকে গিয়ে মিকির লেজের একটা অংশ ছিড়ে গিয়েছিল; সেবারও বেঁচে গিয়েছিল সে।

একবার তো খাবার কিংবা পানি ছাড়াই এক বছর বেঁচেছিল। আমরা সেবার ভুল করে ওকে একটা অ্যাপার্টমেন্টে রেখে চলে এসেছিলাম। ওই অ্যাপার্টমেন্ট আমরা গুদামঘর হিসেবে ব্যবহার করতাম। বছরখানেক পর কিছু বাক্স আনতে সেখানে গেলে মিকি সহজাতভাবেই আমার দিকে এগিয়ে এলো, যেন মাত্র একদিন পর দেখা পেয়েছে, যেন বলতে এসেছে, ‘এই যে, কই ছিলে তুমি?’


চেনাজানা
বেশিরভাগ মানুষের
চেয়ে প্রাণীদের সঙ্গে আমার
জীবন তুলনামূলক
ভালো কাটে

মিকি ছিল আমার সবচেয়ে স্মরণীয় পোষা প্রাণীগুলোর একটি। আমার অবশ্য পোষা প্রাণী প্রচুর– পাবর্ত্য সিংহ কার্টিস থেকে শুরু করে শত শত সাপ আমি লালনপালন করেছি। মূলত আমি একজন স্বশিক্ষিত জুকিপার। চেনাজানা বেশিরভাগ মানুষের চেয়ে প্রাণীদের সঙ্গে আমার জীবন তুলনামূলক ভালো কাটে, এ কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি। এই প্রাণীকূলের সঙ্গে জীবনকে এমন এক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করে নিই, যেটির কথা বেশিরভাগ মানুষেই ভুলে থাকে: দিনের শেষে জীবন মানে স্রেফ টিকে থাকা। এই শিক্ষা একবার পেয়ে গেলে, আপনাকে খেয়ে ফেলতে পারে– এমন কোনো প্রাণীর আস্থা একবার অর্জন করতে পারলে, জীবনের একটি তাৎপর্য ও ফলপ্রসূ অভিজ্ঞতা আপনি লাভ করবেন।

***

আমার জন্মের পরপরই মা আবার ফিরে গিয়েছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেসে, তার ব্যবসার ক্ষেত্র বাড়াবেন এবং আমাদের পরিবারের আর্থিক ভিত্তি জোরদার করবেন বলে। বাবা আমাকে ইংল্যান্ডে তার বাবা চার্লস ও মা সিবিল হাডসনের কাছে বড় করেছেন। সেখানে ছিলাম চার বছর।

আমাকে লালনপালনের কাজটা বাবার জন্য সহজ ছিল না। আমি ছিলাম যথেষ্ট স্বজ্ঞালব্ধ শিশু; তবে পরিবারে ছড়িয়ে থাকা চাপা উত্তেজনার গভীরতা ঠাহর করতে পারিনি। যতটুকু বুঝেছিলাম– আমার বাবা টনি ও তার বাবা চার্লসের মধ্যে সম্পর্কটা খুব একটা ভালো ছিল না।

দাদার তিন ছেলের মধ্যে টনি ছিলেন মেজ। ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে প্রতিটি ব্যাপারই ছিল মেজ ছেলের। পরিবারটির মূল্যবোধের প্রতি তার ছোটভাই ইয়ান ও বড়ভাই ডেভিড ছিলেন তুলনামূলক বেশি মানানসই। আমার বাবা আর্ট স্কুলে পড়েছেন; দাদার সঙ্গে তার কোনো মিল ছিল না। টনি ছিলেন ষাটের দশকের মানুষ। তিনি সেইসব মূল্যবোধকে অন্তস্তল থেকে লালন করেছেন– যেগুলোর প্রতি তার বাবার ছিল ঘৃণা।

আমার দাদা চার্লস ছিলেন স্টোকের একজন ফায়ারম্যান– যে কমিউনিটি কোনো না কোনোভাবে ইতিহাসের সবকালেই রয়ে গেলে অবিকল। স্টোকের বেশিরভাগ অধিবাসীই কখনোই এলাকা ছেড়ে যাননি; আমার দাদা-দাদীর মতোই সেখানকার অনেকেই শ’খানেক মাইল দক্ষিণের শহর লন্ডনে যাননি কোনোদিন।

আর্ট স্কুলে ভর্তি হওয়া এবং পেইন্টিং ঘিরে জীবন কাটানোর ব্যাপারে টনির একঘুয়েমিকে চার্লস কখনোই হজম করতে পারেননি। তাদের মধ্যকার মতপার্থক্য হরদমই রূপ নিত তর্কে, আর তা হামেশাই জন্ম দিত হিংস্র ঝগড়ার। টনির দাবি, অল্পবয়সের বেশির ভাগ সময়ই চার্লসের কাছে মার খেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়া ছিল তার জন্য নিত্যনৈমত্তিক ঘটনা।

আমার দাদা ছিলেন ১৯৫০-এর দশকের ব্রিটেনের চূড়ান্ত রকমের প্রতিনিধি; তার ছেলেটি যেমন ছিলেন ষাটের দশকের। চার্লস চাইতেন সবকিছু যেন সুশৃঙ্খল থাকে; অন্যদিকে, টনি চাইতেন সবকিছু ভেঙেচুরে নতুন করে রাঙাতে। নির্বিকার এক কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান মেয়েকে ভালোবেসে প্যারিস থেকে সঙ্গে নিয়ে তার ছেলে যখন বাড়ি ফিরলেন, আমার দাদা তখন কতটা উৎকণ্ঠার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন, সে কথা আমি মাঝে মধ্যে কল্পনা করি।

ভেবে অবাক হই, ওই নারীকে বিয়ে করা এবং তাদের সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুকে একই ছাদের নিচে বড় করার উদ্দেশ্য যখন চার্লসকে জানিয়েছিলেন টনি, তখন কী জবাব দিয়েছিলেন দাদা? সবকিছু বিবেচনায় রেখে অবাক হয়ে ভাবি, এই দুই মনোভাবের দুজন মানুষকে পরস্পরের প্রতি দেখাতে হয়েছিল কতটুকু কূটকৌশল!

***

আমি ট্রেনে চড়ার ধকল সামলাতে শেখামাত্রই বাবা আমাকে লন্ডনে নিয়ে যান। তখন আমার বোধহয় দুই-তিন বছর বয়স। তবে সহজাতভাবেই বুঝতে পেরেছিলাম, অশেষ পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছানো সেই বাদামি ইটে গড়া সারি সারি বাড়ি ও খেয়ালি পরিবারগুলোর শহরটি কতটা দূরের। পরিবারগুলোকে খেয়ালি মনে হওয়ার কারণ, আমার বাবা খানিকটা বোহেমিয়ান ধরনের ছিলেন।

আমরা ট্রেনে চেপে বসলাম। তারপর অনেকদিন ফিরে আসিনি। লন্ডনে ছিল লাভা ল্যাম্প আর কালো লাইট। পোটোবেলো রোডের পাশে ছিল ওপেন বুথ ও আর্টিস্টদের ইলেকট্রিক উত্তেজনা।

বাবা নিজেকে কখনোই ‘বিট’ বলে মনে করেননি; তবে আত্মীকরণের মধ্য দিয়ে সে ধরনের জীবনযাপনই তিনি করেছেন। আসলে তিনি যেন বেছে নিয়েছিলেন সে ধরনের জীবনের লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্যগুলো: অ্যাডভেঞ্চারপ্রীতি, পিঠে শুধু কাপড় নিয়ে খালি হাতে রাস্তায় নেমে পড়া, ইন্টারেস্টিং লোকে ভরা অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে একটু ঠাঁই খোঁজা…।


রাস্তায়
কাটানো
জীবনের চেয়ে
দারুণ কিছু আর
হতে পারে
না

বাবা-মা আমাকে অনেক কিছুই শিখিয়েছেন, তবে তাদের শ্রেষ্ঠতম শিক্ষাটা পেয়েছি একদম অল্পবয়সে: রাস্তায় কাটানো জীবনের চেয়ে দারুণ কিছু আর হতে পারে না।

ইংল্যান্ড নিয়ে চমৎকার কিছু স্মৃতি আছে আমার। আমি ছিলাম দাদা-দাদির মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে। আমি স্কুলে গিয়েছিলাম। ‘দ্য টুয়েলভ ডেজ অব ক্রিসমাস’ ধরনের নাটক করেছি। ‘দ্য লিটল ড্রামার বয়’ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে করেছি অভিনয়। আর সময় পেলেই ড্রয়িং করতাম। সপ্তাহে একবার দেখতাম (টিভি শো) ‘দ্য অ্যাভেঞ্জারস’ ও ‘দ্য থান্ডারবার্ডস’।

কনসার্টে স্ল্যাশ

ষাটের দশকের শেষভাগে ইংল্যান্ডে টেলিভিশন ছিল একেবারেই সীমিত। সেখানে ফুটিয়ে তোলা হতো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ের, আমার দাদা-দাদিদের প্রজন্মের দুনিয়ার, চার্চিলের দৃষ্টিকোণের প্রতিফলন। তখন টিভিতে চ্যানেল ছিল মাত্র তিনটি। তাছাড়া, প্রতি সপ্তাহে দুই ঘণ্টা ওই চ্যানেলগুলোর যেকোনোটি দুটি অনুষ্ঠান দেখাত। তিনটি চ্যানেলের সবগুলোই শুধু দেখাত খবর। আমার বাবা-মায়ের প্রজন্ম যে এগুলোকে আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনার পথে পা বাড়িয়েছে– তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়ে আমি আর টনি যখনই ওলার সঙ্গে যোগ দিলাম, এরপর আর কোনোদিনই বাবা তার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেননি। তাই তারা আমার জীবন থেকে সহসাই হারিয়ে গেলেন; বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে যদিও তাদের হরদম মিস করতাম। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ব্যাপারে বাবাকে অবশ্য মা বারবারই প্রণোদনা দিতেন; কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। বাবার কোনো আগ্রহই ছিল না এ ব্যাপারে।

গানস এন’ রোজেস বিখ্যাত হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি আমার ইংরেজ আত্মীয়দের দেখা আর পাইনি। ১৯৯২ সালে আমরা যখন ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে পারফর্ম করছিলাম, তখন আমার হাডসন বংশপরিচয় উঁকি দিলো: শো শুরুর আগ মুহূর্তে আমার এক চাচা, চাচাত ভাই আর দাদা এসে সামনে দাঁড়ালেন। জীবনে এই প্রথম স্টোক থেকে লন্ডনে পা রাখলেন দাদা; আমাদের ড্রেসিংরুমে থাকা পানীয়ের প্রতিটি ফোঁটা তিনি গিলে ফেললেন।

একেবারেই টইটম্বুর হয়ে আমার সেই মাতাল পূর্বপুরুষ আরেকটু হলে হয়তো মেরেই ফেলতেন আমাদেরকেই!


পরের কিস্তি, আসছে শিগগিরই...
Print Friendly, PDF & Email
সম্পাদক : লালগান । ঢাকা, বাংলাদেশ।। মিউজিকের বই [অনুবাদ] : আমার জন লেনন [মূল : সিনথিয়া লেনন] ।। কবিতার বই : ওপেন এয়ার কনসার্টের কবিতা; র‍্যাম্পমডেলের বাথটাবে অন্ধ কচ্ছপ; হাড়ের গ্যারেজ; মেনিকিনের লাল ইতিহাস ।। সিনেমার বই [সম্পাদনা/অনুবাদ] : ফিল্মমেকারের ভাষা [৪ খণ্ড : ইরান, লাতিন, আফ্রিকা, কোরিয়া]; ফ্রাঁসোয়া ত্রুফো : প্রেম ও দেহগ্রস্ত ফিল্মমেকার; তারকোভস্কির ডায়েরি; স্মৃতির তারকোভস্কি; হিচকক-ত্রুফো কথোপকথন; কুরোসাওয়ার আত্মজীবনী; আন্তোনিওনির সিনে-জগত; কিয়ারোস্তামির সিনে-রাস্তা; সিনেঅলা [৩ খণ্ড]; বার্গম্যান/বারিমন; ডেভিড লিঞ্চের নোটবুক; ফেদেরিকো ফেল্লিনি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার ফেদেরিকো ফেল্লিনি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার ক্রিস্তফ কিয়েস্লোফস্কি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার চান্তাল আকেরমান

জবাব দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here